মাছি বিষয়ক একটি গবেষনা প্রতিবেদন : প্রকৌশলী আসিফ মুহাম্মদ সামি

181
masi_asif_mohammad_sami

মাছি প্রসঙ্গে হযরত মুহাম্মদ (সা.) যা বলেছিলেন,

“যদি তোমাদের কারো পাত্রে মাছি পতিত হয়, সে যেন উক্ত মাছিটিকে ডুবিয়ে দেয়’ (বুখারী হা/৫৭৮২) তা শুনে আজকের বিজ্ঞান কি বলে?

প্রায় ১৪০০ বছর আগে নাযিল হওয়া আল-কুরআনের বিশ্লেষণ করে মানুষ মঙ্গল গ্রহ পর্যন্ত পৌঁছেছে। মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (ছাঃ) ১৪০০ বছর আগে মাছি প্রসঙ্গে যে কথাটি বলেছিলেন, তা আমাদের আধুনিক বিজ্ঞানও মেনে নিয়েছে।

আবূ হুরাইরা (রাঃ) তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন তোমাদের ‘কারো পানীয় বস্তুর মধ্যে মাছি পড়ে তখন সে যেন তাকে তাঁর মধ্যে ডুবিয়ে দেয়। তারপর তাকে বাইরে ফেলে দেয়। কেননা ওর এক ডানায় রোগ আর অন্য ডানায় আরোগ্য রয়েছে।’ আবূ দাঊদে (অতিরিক্ত শব্দ) এসেছে; ‘মাছি তার জীবাণু যুক্ত ডানাটি (প্রথমে পানীয়ের মধ্যে ডুবিয়ে) তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করে।
(সহিহ বুখারি হাঃ ৩৩২০,৫৭৮২, সুনান আবু দাউদ হাঃ৩৮৪৪, বুলুগুল মারাম, হাদিস নং ১৪ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস)

খালিদ ইবনে মাখলাদ রহ…………..উবাইদ ইবনে হুনায়ন রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবু হুরায়রা রা.-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কারো পানীয় দ্রব্যে মাছি পড়লে তাকে তাঁতে ডুবিয়ে দেবে। তারপর তাকে উঠিয়ে ফেলবে। কেননা তার এক ডানায় থাকে রোগ জীবাণু আর অপর ডানায় থাকে এর প্রতিষেধক। (বুখারি হাদীস নং ৩০৮৬)

এ বিষয়ে কিং আব্দুল আজীজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. ওয়াজিহ বায়েশরী হাদীছটির আলোকে মাছি নিয়ে কয়েকটি পরীক্ষা চালান। জীবাণুমুক্ত কিছু পাত্রের মধ্যে কয়েকটি মাছি ধরে নিয়ে জীবাণুমুক্ত টেস্টটিউবের মধ্যে আবদ্ধ করে রাখেন। তারপর নলটি একটি পানির গ্লাসে উপুড় করেন। মাছিগুলো পানিতে পতিত হওয়ার পর উক্ত পানি থেকে কয়েক ফোঁটা পানি নিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে পান, সেই পানিতে অসংখ্য জীবাণু রয়েছে। তারপর জীবাণুমুক্ত একটি সূঁচ দিয়ে মাছিকে ঐ পানিতেই ডুবিয়ে দেন। তারপর কয়েক ফোঁটা পানি নিয়ে পরীক্ষা করে দেখেন, সেই পানিতে আগের মতো আর জীবাণু নেই, বরং কম। তারপর আবার ডুবিয়ে দেন। তারপর কয়েক ফোঁটা পানি নিয়ে আবার পরীক্ষা করেন। এমনিভাবে কয়েকবার পরীক্ষা করে দেখেন যে, যত বার মাছিকে ডুবিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছেন, ততই জীবাণু কমেছে। অর্থাৎ তিনি প্রমাণ পেলেন যে, মাছির একটি ডানায় রোগজীবাণু রয়েছে এবং অপরটিতে রোগনাশক ওষুধ রয়েছে।

সম্প্রতি সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত অষ্টম চিকিৎসা সম্মেলনে কানাডা থেকে দু’টি গবেষণা রিপোর্ট পাঠিয়েছে। যাতে বলা হয়েছে যে, মাছিতে এমন কোন বস্ত্ত রয়েছে যা জীবাণুকে ধ্বংস করে দেয়। একই বিষয়ে জার্মান ও ব্রিটেন থেকে প্রাপ্ত রিসার্চগুলো ধারাবাহিক সংগ্রহের মাধ্যমে সম্প্রতি একটি বই বেরিয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যে, মাছি যখন কোন খাদ্যে বসে, তখন তার জীবাণুযুক্ত ডানাটি খাদ্যে ডুবিয়ে দেয়। অথচ তার অপর ডানায় থাকে প্রতিরোধক ওষুধ। ফলে মাছিকে ঐ খাবারে ডুবিয়ে দেয়া হ’লে অপর ডানার জীবাণু প্রতিরোধক খাদ্যের সঙ্গে মিশে মারাত্মক জীবাণুগুলোকে ধ্বংস করে দেয় এবং সেই খাদ্য স্বাস্থ্য ও সুস্থতার জন্য অনুকূল থাকে। নতুবা এই খাদ্যই জীবানুযুক্ত হয়ে মানব ধ্বংসের কারণ হতে পারে। সেই চৌদ্দশত বছর পূর্বে এই ক্ষুদ্র জীবানু দেখার শক্তি মানুষের ছিল না। অথচ রাসূল (স:) সেগুলোর দিকে ইঙ্গিত করেছেন এবং সে সম্পর্কে কথা বলেছেন এবং ঐ বিপদজনক দিক বর্ণনা করেছেন যা আমাদের স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকারক। সেই জাহেলী যুগে এই আশ্চায্যিত তথ্য কে তাঁকে জানিয়ে দিলেন? এটা কি নবীজির নবুয়াতের প্রমাণ রাখেনা??

[আল্লাহর অহি ব্যতীত আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) দ্বীন বিষয়ে কোন কথা বলেন না (নাজম ৩-৪)। তাঁর যবান দিয়ে কোন মিথ্যা কথা বের হয় না। অতএব হে মানুষ! সব ছেড়ে ইসলামমুখী হও। কুরআন ও হাদীছ মেনে নাও। দুনিয়া ও আখেরাতে সুখী হও]

এখানে বিজ্ঞান বিষয়ক একটি জরিপে অংশগ্রহন করুন

আজকে প্রায় ১৪০০ বছর আগে নাজিল হওয়া আল কোরআনয়ের বিশ্লেষন করে মানুষ মঙ্গল গ্রহ পর্যন্ত পৌঁছেছে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ১৪০০ বছর আগে মাছি প্রসঙ্গে যে কথাটি বলেছিলেন তা আমাদের আধুনিক বিজ্ঞানও মেনে নিয়েছে। বুখারী ও ইবনে মাজাহ হাদীসে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :

ﺇﺫﺍ ﻭَﻗَﻊَ ﺍﻟﺬُّﺑﺎﺏُ ﻓِﻲ ﺇﻧَﺎﺀِ ﺃَﺣَﺪِﻛُﻢْ ﻓَﻠْﻴَﻐْﻤِﺴْﻪُ ﻓَﺈﻥَّ
ﻓِﻰ ﺃﺣَﺪِ ﺟِﻨَﺎﺣﻴْﻪِ ﺩَﺍﺀً ﻭَﻓﻰ ﺍﻟْﺄﺧَﺮِ ﺷِﻔﺎﺀ (ﺭﻭﺍﻩ
ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ)

অর্থ : যদি তোমাদের কারো পাত্রে মাছি পতিত হয় সে যেন উক্ত মাছিটিকে ডুবিয়ে দেয়। কেননা তার একটি ডানায় রোগ জীবানু রয়েছে, আর অপরটিতে রয়েছে রোগনাশক ঔষধ”(বুখারী)।

আমাদের মাঝে এমন কি কেউ আছে যে উক্ত রোগের জীবানুগুলো দেখেছে? আমাদের কেউ কি উক্ত রোগ নাশক ঔষধ অবলোকন করেছে? অথচ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন : নিশ্চয়ই তা রয়েছে, কিন্তু দেখা যাচ্ছে না। সেখানে রোগ রয়েছে মানুষ তা জানতো না। তারা দেখতে পায়, মাছি তার দুই ডানা দিয়ে উড়ে যায়। কিন্তু এ বিষয়ে তারা কিছুই জানতো না যে, তার ভিতরে কল্যাণ রয়েছে, না অকল্যাণ রয়েছে।
জ্ঞান বিজ্ঞানের যখন অগ্রগতি হলো, যখন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস জীবানু সম্পর্কে জ্ঞানের অগ্রগতির মাধ্যমে বর্ণিত হচ্ছে যে, মাছি মানুষের শত্রু“, সে রোগ জীবানু বহন করে এবং স্থানান্তরিত করে। মাছির ডানায় রোগ জীবানু রয়েছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। তাই যদি হয় তাহলে কিভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রোগ জীবানু বহনকারী মাছিকে ডুবিয়ে নেয়ার আদেশ করলেন?

শিক্ষাঃ শুষ্ক খাবারে মাছি পড়লে, মাছিকে খাবারে ডুবানো যাবে না। [অবশ্য ডুবানো সম্ভবও না।] বরং খাবারের যেখানে মাছি পরেছে তার আশে পাশের কিছু অংশ ফেলে দিতে হবে। শুধু মাছিই নয় অন্যান্য পোকা-মাকড়ের ক্ষেত্রেও একই হুকুম। [তবে হারাম যেমন-বিচ্ছু এই হুকুমের অধীন নয়]

যারা মূল আলোচনা শোনার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন, তাদের এখনই বলে দিচ্ছি, “মাছি কিন্তু anti-bacterial বস্তু বহন করে। কান পেতে শুনে নিন। আবার কাউকে কিছু বলবেন না যেন। সেই anti-bacterial বস্তুটি আসলে কি তা জানা যায় নি। কাজেই, এখনও সময় আছে। প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করার সুবর্ণ সুযোগ আমাদের আছে। শুধু একটু ল্যাবে সময় দিলেই হবে”।

বিশ্বাস না হলে নিচের কিছু গবেষণার খবর পড়েই দেখুন।

১৯২৭ সাল,
Rockefeller Foundation প্রকাশিত Journal of Experimental Medicine (1927), খন্ড ৪৩-এর ১০৩৭ পৃষ্ঠায় বলা আছে,
“কিছু বিশেষ রোগের জীবাণুর কালচারে মাছি দেয়া হয়। কিছু সময় পর, যখন মাছি কিছু জীবাণু ভক্ষণকারী বস্তু, ব্যাক্টেরিওফায, গঠন করল, জীবাণুগুলো মারা গেল এবং কোন চিহ্নই আর বাকি থাকল না। যদি এই মাছি থেকে কোন স্যালাইন দ্রবণ তৈরি করা সম্ভব হয়, হতে পারে তা ব্যাক্টেরিওফায বহন করবে, যা রোগসৃষ্টিকারী চারটি জীবাণু দমন করতে পারবে এবং আরও চারটি রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের উৎকর্ষ সাধন করবে”।

১৯৯৪ সাল,
University of Tokyo এর Professor Juan Alvarez Bravo বলেন, “শীঘ্রই আমরা দেখতে পারব যে, অনেক রোগের কার্যকরী প্রতিষেধক মাছি থেকে নিঃসরণ করা হবে”। [The ointment in the fly: antibiotics, The Economist, December 3, 1994।]

২০০০ সাল,
University of Bath এর Department of Biology and Biochemistry থেকে R. J. Dillon উল্লেখ করেছেন, “মানবদেহের রোগ ও পরজীবী সৃষ্টিকারী অন্ত্রের মাইক্রোবায়োটা রোগবাহক পোকা-মাকড়ের উপর কিরূপ প্রভাব ফেলে তা নিয়ে কিছু গবেষণা করা হয়েছে। Gnotobiotic পোকামাকড়কে (Greenberg et al, 1970) Musca domestica [মাছি] এবং Lucilia sericata এর মাইক্রোবায়োটার ব্যাক্টেরিয়াল প্যাথোজেন দমনকারী ক্ষমতা আছে বলে প্রমাণ পেশ করা হত”। http://www.faculty.ucr.edu/…/syste…/digestion/plenuryrd.html

২০০২ সাল,
অস্ট্রেলিয়ার Macquarie University এর Department of Biological Sciences থেকে একটি দল house fly, sheep blowfly, vinegar fruit fly এবং Queensland fruit fly নিয়ে গবেষণা করেন। প্রত্যেক প্রজাতির মাছির শরীরে anti-bacterial বস্তু পাওয়া গেছে। ইথানলে মাছিকে ডুবিয়ে anti-bacterial বস্তুটি নিংড়ে নেয়া হয়, এরপরে মিশ্রণটিকে ফিল্টার করে অশোধিত নির্যাস অর্জন করা সম্ভব হয়। E.coli, Golden Staph, Candida (a yeast) সহ অন্যান্য ব্যাক্টেরিয়ার মিশ্রণের মধ্যে অশোধিত নির্যাস প্রয়োগ করা হয়। আর প্রত্যেক ক্ষেত্রেই antibiotic ক্রিয়া লক্ষ করা গেছে। Ms Clarke বলেন, “আমরা এখন anti-bacterial বস্তুটি সনাক্ত করার চেষ্টা করছি”। [Danny Kingsley , The new buzz on antibiotics, www.abc.net.au, 1 October 2002.
http://www.abc.net.au/science/articles/2002/10/01/689400.htm]

ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানি Glaxo Smith Kline অনেক দিন থেকেই মাছি থেকে ওষুধ বানানোর চেষ্টা করছে। [Joanne Clarke, Michael Gillings and Andrew Beattie, 2002. Hypothesis-driven drug discovery. Microbiology Australia, pp: 8-10.]

২০০৫ সাল,
শরীর তো বটেই মাছির লালা কিন্তু একেবারে খারাপ না। অবাক হচ্ছেন? Auburn University এর কিছু গবেষক মাছির লালা-তে এক ধরণের প্রোটিন খুজে পেয়েছেন যা ক্ষত ও ত্বকের দীর্ঘস্থায়ী ফাটল নিরাময়ে কাজ করে। [Protein in Fly Saliva Speeds Healing of Incisions, Wounds, Auburn University, 23 Jan 2005.]

২০০৬ সাল,
২০০২ সালের গবেষণার কথা আবার মনে করিয়ে দিচ্ছি, কারন সেখানে গবেষক বলেছিল যে, তারা এমন একটি জায়গায় প্রতিষেধক খুঁজছেন , যেখানে কেউ খুঁজে দেখে নি। ২০০৬ সালে একই চেষ্টা করা হয়। তবে এবারের ঘটনা রাশিয়ায়। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, মাছি এমন কিছু বহন করে যা ওষুধের জগতে আমূল পরিবর্তন এনে দিতে পারে। [The fly effect: Russian scientists invent new medicine with the help of flies, St. Peters burg State University, 2006]

২০০৭ সাল,
মাছি থেকে হৃদ রোগের ওষুধও তৈরি করা সম্ভব। কারন মাছি আর মানুষের হৃদপিন্ডের কিছু মিল আছে কিনা! [Fruit Flies May Pave Way To New Treatments For Age-related Heart Disease, Burnham Institute, 2007] একই বছরে Stanford University ঘোষণা করে যে, মাছি থেকে নাকি এমন বস্তু পাওয়া গেছে যা মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়! [Fruit Fly Insight Could Lead To New Vaccines, Stanford University, March 11, 2007.]

২০১০ সাল,
ড. জামাল হামিদ তার ছাত্রদের নিয়ে উক্ত হাদিসের উপর একটি গবেষণা করেন। সেখানে Salmonellas sp + proteus sp. Type, Coynebacterium Dephtheroid type, E Coli type, Staphylococcus sp. type নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। আর সকল ক্ষেত্রেই মাছির ব্যাক্টেরিয়া প্রতিরোধী গুণাগুণ পাওয়া গেছে। [বিস্তারিত]

২০১৩ সাল,
ধারণা করা হচ্ছে, ভাইরাস আর ব্যাক্টেরিয়া ঘটিত রোগের বিরুদ্ধে পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াবিহীন প্রাকৃতিক নিরাময় মাছি থেকেই উদঘাটন করা সম্ভব। [Parlan, 2013. Flies for antibiotics, www.naturalhealthyliving.com.

যাই হোক, আমি এতোটুকুই তথ্য পেয়েছি। আসল কথা হল, নোবেল কিন্তু হাতের মুঠোয়। শুধু এখন সেই রহস্যময় anti-bacterial বস্তুটি খুঁজে বের করতে পারলেই হল।

এছাড়াও একটি খুব সুন্দর রিসার্চ পেপার আছে যা ২০১৪ সালের, আমি এখানে সেটার কথা উল্লেখ করি নি। নিজেই পড়ুন। এখানে বলা হয়েছে যে, মাছির ডান ডানা থেকে তৈরি দ্রবণে জীবাণুর বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয় নি। হারাম নয় এমন পোকার ক্ষেত্রেও একই মাসয়ালা। তাছাড়া আরও কিছু পোকা একইভাবে রোগ-জীবাণু ধ্বংস করে।

একটি বিজ্ঞান বিষয়ক সমীক্ষা : বাংলাদেশে বিজ্ঞান শিক্ষার চালচিত্র। একটি জরিপের ফলাফল।

[যেমন] সেই চৌদ্দশ বছর পূর্বে এই ক্ষুদ্র জীবাণু দেখার শক্তি মানুষের ছিল না। অথচ রাসূল (স:) সেগুলোর দিকে ইঙ্গিত করেছেন এবং সে সম্পর্কে কথা বলেছেন এবং ঐ বিপদজনক দিক বর্ণনা করেছেন যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক।

 

প্রকৌশলী আসিফ মুহাম্মদ সামি


ইমেইল : asifsami@gmail.com

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন