ব্রেক্সিট কি ভুল সিদ্ধান্ত ছিল? সাম্প্রতিক জরিপ কিন্তু তাই বলছে!

65
brexit

ব্রেক্সিট ভুল সিদ্ধান্ত ছিল বলে মত দিয়েছেন সংখ্যাগরিষ্ঠ বৃটিশ ভোটার। নতুন এক জরিপে এমনটাই উঠে এসেছে। বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে আগাম নির্বাচনের ডাক দেয়ার ১০ দিন পর একটি জরিপ চালায় ইউগভ/টাইমস।

জরিপে অংশ নেয়া ১৫৯০ ভোটরের ৪৫ শতাংশ বলেছেন তারা মনে করেন ব্রেক্সিট ছিল ভুল সিদ্ধান্ত। আর ৪৩ শতাংশ মনে করেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ার পক্ষে বৃটেনের রায় ছিল সঠিক। কয়েকদিন আগে ইউগভের আরেকটি জরিপে ৪৪ শতাংশ ইইউ ছাড়ার বিরোধীতা করেছিলেন। সমসংখ্যক সমর্থন দিয়েছিলেন ব্রেক্সিটে। বৃটিশ অনলাইন ইন্ডিপেন্ডেন্টের খবরে বলা হয়, অল্প সময়ের ব্যবধানে জরিপের ফলে যে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে তাতে ইঙ্গিত মিলছে যে ইইউর ছাড়ার পক্ষে সমর্থন কমছে। গত মাসে লিসবন চুক্তির আর্টিকেল ৫০ সক্রিয় করার পর ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে গেছে ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া।
জরিপে অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে ‘নিশ্চিত না’ উত্তর দেয়া ভোটারদের সংখ্যা ১০ই জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ১২ শতাংশেই রয়েছে।
ইউগভ/টাইমসের সবচেয়ে সাম্প্রতিক জরিপে ব্রেক্সিটের বিপক্ষে দেয়া অভিমতের হার রেকর্ড সর্বোচ্চ। এমন এক সময় জনমত ব্রেক্সিটের বিপক্ষে যাচ্ছে যখন কিনা বৃটিশ সরকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করছে।
ওদিকে, আগাম নির্বাচনের ডাক দেয়া প্রধানমন্ত্রী মে’র প্রতি সমর্থনের হার সর্বোচ্চ। জরিপগুলো বলছে ৮ই জুনের আগাম নির্বাচনে পার্লামেন্টে আরও বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ী হবেন মে।

ব্রেক্সিট প্রসঙ্গে কিছু প্রশ্ন কিছু উত্তর

গত বছর ২৩ জুন যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকা না থাকার প্রশ্নে নিজেদের রায় দেয় ব্রিটিশ জনগণ। ওইদিন অনুষ্ঠিত গণভোটেই নির্ধারিত হয় ব্রিটেনের পরিণতি। সুরাহা হয় আলোচিত ব্রেক্সিট ইস্যুর। কিন্তু এ ব্রেক্সিট আসলে কী? কিসের প্রেক্ষিতে এ সারসংক্ষেপের উৎপত্তি? কেন ব্রিটিশ নাগরিকদের কেউ কেউ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়তে চান? কেনইবা আবার সব ব্রিটিশ নাগরিক ইইউ ছাড়তে চান না? এ ব্যাপারে ব্রিটিশ অর্থনীতি বিশ্লেষকদের মত কী? ব্রিটেনের গণভোটকে সামনে রেখে এমন সব প্রশ্ন তখন সামনে ছিল। ঐ সময় ফিনান্সিয়াল টাইমস, গার্ডিয়ান, বিবিসি অবলম্বনে ফাহমিদা উর্ণি’র ২৪ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে বাংলা ট্রিবিউন এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে সেইসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করা হয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রসঙ্গ

ইউরোপীয় ইউনিয়ন কিংবা ইইউ হলো ২৮টি সদস্য রাষ্ট্রবিশিষ্ট একটি অর্থনৈতিক জোট। কেবল জোটই নয়, বলা চলে এটি মুক্ত-বাণিজ্য অঞ্চলের চেয়েও বেশি কিছু। ইইউ’র জিডিপি ১৮ হাজার বিলিয়ন ডলারের চেয়েও বেশি। প্রতিষ্ঠার পর গত অর্ধ শতকেরও বেশি সময় ধরে ইইউ স্বাতন্ত্র্য বাড়িয়েছে। আলাদা করে গড়ে তুলেছে ইউরোপীয় কমিশন, ইউরোপীয় পার্লামেন্ট, ইউরোপিয়ান কোর্ট অব জাস্টিস। ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাজ্য ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটিতে যোগ দেয়। পরে এ কমিউনিটিই ইইউ নামে প্রতিষ্ঠা পায়।

ব্রেক্সিট কী?

ব্রেক্সিট হলো ব্রিটিশ এক্সিটের সংক্ষেপিত রূপ। অর্থাৎ ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বের হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তথা what_is_brexit_?এক্সিট বোঝাতে ব্রেক্সিট শব্দটি ব্যবহার করা হয়। শব্দটি অনেকটা গ্রেক্সিটের মতো। গ্রিস ইউরোজোন থেকে ছিটকে পড়তে পারে বলে কয়েক বছর ধরে যে সম্ভাবনার গুঞ্জন চলছিল তা থেকেই গ্রেক্সিট শব্দটি চালু হয়েছিল। সে ধারাবাহিতায় ব্রিটেনের এক্সিট অর্থাৎ ব্রিটেনের ইইউ থেকে বের হয়ে যাওয়ার প্রশ্নে চালু হয় ব্রেক্সিট শব্দটি।

 ব্রেক্সিট ইস্যুর প্রেক্ষাপট

যুক্তরাজ্যে অভিবাসীদের আধিক্য নিয়ে ব্রিটিশ নাগরিকদের মধ্যে এক ধরণের অস্বস্তি রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিয়ম অনুযায়ী ইইউভুক্ত ২৮টি দেশের নাগরিক ভিসা ছাড়াই এক দেশ থেকে আরেক দেশে প্রবেশ করতে পারে। আর সে কারণে গত মেয়াদে ডেভিড ক্যামেরন সরকার ইইউর বাইরের দেশ থেকে আসা অভিবাসীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনতে সক্ষম হলেও ইইউভুক্ত নাগরিকদের প্রবেশ ঠেকাতে পারেনি। নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এবারের মেয়াদে ইইউভুক্ত দেশের নাগরিকদের যুক্তরাজ্যে প্রবেশ নিরুৎসাহিত করতে চার বছরের জন্য সুবিধা ভাতা বন্ধ রাখার প্রস্তাব দেন ক্যামেরন। এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান ইইউভুক্ত দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। তাদের দাবি, সদস্য দেশের নাগরিকদের সুবিধা ভাতা প্রদানে বৈষম্য করা হলে তা হবে ইইউর প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্যের সাথে সাংঘর্ষিক।

আর তা নিয়ে যুক্তরাজ্যকে ইইউতে রাখা না রাখার ব্যাপারে প্রশ্ন তৈরি হয়।

গণভোট প্রসঙ্গ

ব্রেক্সিট প্রশ্নে ইইউভুক্ত নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিয়ে অভিবাসীদের সুবিধা সীমিত করাসহ চারটি সংস্কার প্রস্তাব দেন ক্যামেরন। পরে সে প্রস্তাব নিয়ে ক্যামেরনের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছান ইইউ নেতারা। ইইউ’র সঙ্গে সমঝোতার পর দেশে ফিরে গণভোটের তারিখ ঘোষণা করেন ক্যামেরন। ব্রিটিশ আইন অনুযায়ী, গণভোটের ১৬ সপ্তাহ আগে তারিখ ঘোষণা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে হিসেবে ২৩ জুন তারিখটি নির্ধারণ করা হয়। ব্রিটেনের ইইউতে থাকা না থাকার প্রশ্নে দেশটির জনগণই ওই গণভোটে চূড়ান্ত রায় দেবেন। ব্রেক্সিট প্রশ্নে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য তাই ওই গণভোটের রায় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আর তাই ২৩ জুন হয়ে উঠেছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

১৮ কিংবা তার চেয়ে বেশি বয়সী ব্রিটিশ, আইরিশ কিংবা কমনওয়েলথ নাগরিকেরা এ গণভোটে অংশ নিতে পারবেন। ভোট দিতে পারবেন ১৫ বছরের কম সময় ধরে বিদেশে থাকা ব্রিটিশ নাগরিকরাও।

ইইউতে থাকার পক্ষে ক্যামেরনের উদ্যোগকে ভালোভাবে নিচ্ছেন না খোদ রক্ষণশীলদের (কনজারভেটিভ) অনেকে। তবে লেবার পার্টি শুরু থেকেই ইইউ তে থাকার পক্ষে প্রচার চালাচ্ছে। লিবারেল ডেমোক্র্যাটস (লিবডেম), এসএনপি এবং গ্রিন পার্টিও চায় যুক্তরাজ্য ইইউতে থাকুক। অপর পক্ষে ইউকেআইপি যুক্তরাজ্যের ইইউতে থাকার ঘোরতর বিরোধী।

ব্রিটেন ইইউ থেকে বের হয়ে গেলে পরবর্তীতে কী হতে পারে

ইইউ থেকে বের হয়ে গেলে ব্রিটেনের পরিণতি কী হতে পারে তা নিয়ে দুই ধরনের মতামত রয়েছে।  ইইউবিরোধীদের কেউ কেউ বলছেন, এ জোট থেকে বের হয়ে আসলে ব্রিটেনের একক বাজার তৈরি হবে এবং জনগণ অবাধ চলাচলের সুযোগ পাবে। অন্যদিকে বিরোধীরা বলছেন, এ ধরনের ভাবনা অনেক বেশি কাল্পনিক। তাদের মতে, ইইউ থেকে বের হলে ব্রিটেনকে হয় নরওয়ের মতো ইইউ’র বাজেটে অর্থের যোগান দিয়ে যাওয়া এবং জোটের বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন করে যেতে হবে কিংবা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বিধিমালার আওতায় এসে ইইউ’র সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করতে হবে। ব্রেক্সিটের প্রভাব কী হতে পারে তা দুটো বিষয়ের ওপর নির্ভর করছে। তার একটি হলো, ব্রেক্সিটের পর যুক্তরাজ্য ইইউ’র সঙ্গে কেমন ধরনের সম্পর্ক রাখতে চায় এবং অন্যটি হলো ইইউ আদৌ সে ধরনের সম্পর্কে রাজি হবে কিনা। তবে যতটুকু বোঝা যাচ্ছে তাতে ইইউ’র সঙ্গে যুক্তরাজ্যের নরওয়ে ধাঁচের সম্পর্ক রাখার সম্ভাবনা কম। সেক্ষেত্রে তাদের মধ্যে দূরবর্তী সম্পর্ক গড়ে ওঠার সম্ভাবনাই জোরালো হয়ে উঠেছে।

বেক্সিট প্রসঙ্গে অর্থনীতি বিশ্লেষকরা কী মনে করেন

ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদদের অনেকেই বিশ্বাস করেন যে ইইউ থেকে বের হয়ে আসাটা যুক্তরাজ্যের অর্থনীতির জন্য খারাপ হবে। ১শ জনেরও বেশি প্রভাবশালী চিন্তাবিদের ওপর ফিনান্সিয়্যাল টাইমসের চালানো জরিপে দেখা গেছে ব্রেক্সিট হলে ২০১৬ সালে যুক্তরাজ্যের প্রবৃদ্ধি বাড়বে না। জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় তিন-চতুর্থাংশ অর্থনীতিবিদ মনে করেন ইইউ থেকে বের হয়ে আসলে বহির্বিশ্বে ব্রিটেনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবে। মাত্র ৮ শতাংশ মনে করেন ইইউ থেকে আলাদা হলে ব্রিটেন লাভবান হবে। ২০ শতাংশেরও কম অর্থনীতিবিদ মনে করছেন ইইউ ছাড়লে খুব সামান্যই পরিবর্তন ঘটবে।

ইউরোপীয় ই্উনিয়নে যুক্তরাজ্যের থাকা না থাকার প্রশ্নে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোটকে সামনে রেখে চলছে ‘ভোট লিভ’ এবং ‘কনজারভেটিভস ফর ব্রিটেন’ নামে আলাদা দুটি ক্যাম্পেইন। ‘ভোট লিভ’ক্যাম্পেইনটি চালাচ্ছে যুক্তরাজ্যের স্বাধীন ধারার বেশ কয়েকটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। আর ‘কনজারভেটিভস ফর ব্রিটেন’ ক্যাম্পেইনটি চালাচ্ছেন ইইউবিরোধী টোরি রক্ষণশীল নেতারা,যারা ক্যামেরনের দলেরই লোক। তবে ক্যামেরন সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকার পক্ষে সম্মতি জানালেও অনেকেই আবার ক্যামেরনের বিপক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। লন্ডনের মেয়র বরিস জনসনও চান যুক্তরাজ্য ইইউ থেকে বেরিয়ে আসুক। শেষ পর্যন্ত কাদের জয় হয় তা দেখার জন্য ২৩ জুন পর্যন্ত অপেক্ষার পালা।

বেক্সিট প্রশ্নে গণভোটের ফলাফল ও প্রতিক্রিয়া

সেদিন ছিল অপেক্ষার পালা এবং গণভোটে ইইউ ছাড়ার পক্ষে ভোট পড়েছে ৫২ শতাংশ, আর থাকার পক্ষে ভোট দিয়েছেন সাড়ে ৪ কোটি ভোটারের ৪৮ শতাংশ।

অথচ ৪১ বছর আগে ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটিতে (ইইসি) যোগ দেওয়ার প্রশ্নে গণভোট দিয়েছিল যুক্তরাজ্যবাসী। তাতে ৬৭ শতাংশ ইইসির পক্ষে ভোট দিয়েছিল। ওই ইইসিই পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন-ইইউতে রূপ নেয়।

brexit_possible_to_join২৮ জাতির জোটের সঙ্গে চার দশকের সম্পর্ক ছিন্ন করে নতুন পথে হাঁটার প্রশ্নে যুক্তরাজ্যের এই গণভোটকে সংক্ষেপে বলা হচ্ছে ‘ব্রেক্সিট’।

বিশ্ববাসীর আগ্রহের কেন্দ্রে থাকা এই ভোটের ফল দেখে যুক্তরাজ্যের মুদ্রা বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। টলমলে হয়ে উঠেছে পুঁজিবাজারও।

ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটির গণভোটের রায় ইইউর বাকি ২৭ সদস্য দেশের রাষ্ট্রনেতার কপালেও ভাঁজ ফেলেছে।

অভিবাসী ও গ্রিসকে উদ্ধারের পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি নিজ নিজ দেশেও ইইউ ছাড়ার জিগির উঠতে পারে বলে শঙ্কা করেছিলেন অন্য দেশগুলোর রাষ্ট্রনায়করা।

অন্যদিকে গণভোটের রায়কে ঐতিহাসিক আখ্যায়িত করে ইইউ ছাড়ার পক্ষে জোর প্রচারকারী ইউকে ইনডিপেনডেন্স পার্টির নেতা মাইকেল ফারাজ বলছেন, জনগণ ‘স্বাধীনতার’ পক্ষে রায় দিয়েছে। উচ্ছ্বসিত নাইজেল ফারাজ এর তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া ছিলো “জিতেছি।”

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে বিচ্ছেদপন্থিরা জয়ী হলেও স্কটল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। তবে সবখানেই ব্যবধান খুবই কম।

ইংল্যান্ডে ১ কোটি ৫২ লাখ ইইউ ছাড়ার পক্ষে রায় দিয়েছেন। বিপরীতে থাকার পক্ষে ভোট পড়েছে ১ কোটি ৩৩ লাখ। এখানে ভোটের হার ৭৩ শতাংশ।

ওয়েলসেও রায় গেছে ইইউ ছাড়ার পক্ষে। মোট ভোটারের ৭২ শতাংশ ভোট দিয়েছেন। ইইউ ছাড়ার পক্ষে ভোট সাড়ে ৮ লাখ, থাকার পক্ষে পৌনে ৮ লাখ।

স্কটল্যান্ডে থাকার পক্ষে ভোট দিয়েছেন সাড়ে ১৬ লাখ, ছাড়ার পক্ষে ১০ লাখ। এখানে ভোটের হার ৬৭ শতাংশ।

একইভাবে উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাড়ে ৪ লাখ ভোটার ইউতে থাকার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। সাড়ে ৩ লাখ ভোট দিয়েছেন ছাড়ার পক্ষে। এখানে ৬৩ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন।

রাজধানী লন্ডনের বেশিরভাগ ভোটার ইইউতে থাকার পক্ষে রায় দিয়েছেন। এখানে ৬০ শতাংশ ভোট পড়েছে থাকার পক্ষে, বাকি ৪০ শতাংশ বিপক্ষে।

মোট ভোটের হার ৭২ দশমিক ২ শতাংশ। ব্যালটে ‘লিভ’ অর্থাৎ ইইউ ছাড়ার পক্ষে ভোট দিয়েছেন ১ কোটি ৭৪ লাখ ১০ হাজার ৭৪২ জন। ‘রিমেইন’ অর্থাৎ থাকার পক্ষে ভোট দিয়েছেন ১ কোটি ৬১ লাখ ৪১ হাজার ২৪১ জন।

ইন্টারনেট অবলম্বনে

ফোবানি/হামিদ

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন