বাইপোলার ডিসঅর্ডার একটি মানসিক রোগ: উপসর্গ, কারন ও চিকিৎসা

বিখ্যাত মার্কিন কবি Sylvia Plath এবং ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক Virginia Woolf—দু’জনেই ছিলেন বাইপোলার আক্রান্ত এবং নিজেদেরকে হত্যা করেছেন।

2627
what_is_bipolar_disorder

বাইপোলার ডিসঅর্ডার একটি আবেগতাড়িত মানসিক রোগ। নারী-পুরুষ উভয়ই এ রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের গবেষকদলের জরীপ অনুয়ায়ী, বাংলাদেশে ১৮ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সীদের শতকরা ০.৪ ভাগ অর্থাৎ প্রতি হাজারে ৪ জন এ ধরণের রোগে আক্রান্ত। শরীর ও মন। একজন ব্যক্তির জন্য দু’টি খুবই প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ। মন ভালো না থাকলে শরীর ভালো থাকে না। তেমনি শরীর ভালো না থাকলে মনও ভালো থাকে না। একজন ব্যক্তিকে সুস্থ থাকতে হলে শরীর ও মন দুটোই সুস্থ রাখতে হবে। এটাই স্বাভাবিক। শরীরের অসুখ হলে আমরা সহজেই বুঝতে পারি এবং চিকিৎসকের কাছে গিয়ে চিকিৎসা নিতে পারি। মনেও অসুখ হলেও তা পারি কিন্তু মনের অসুখ হয়েছে কিনা, সেটা গুরুত্ব দেয়ার উপর নির্ভর করে এবং আমরা সিদ্বান্ত নিই আমরা চিকিৎসক বা থেরাপিষ্টের কাছে যাব কিনা? বেশিরভাগ সময় আমরা বুঝতেই পারি না যে আমাদের মনে সমস্যা আছে এবং চিকিৎসক বা থেরাপিষ্টের কাছে যাওয়া উচিত। মুলত: মনোরোগগুলো সম্পর্কে শুরুতে বুঝতে পারলে এর ভয়াবহতা কম হয়, কারন তাদের চিকিৎসা বা থেরাপির মাধ্যমে রোগটি সারানো যায়।

বাইপোলার ডিসঅর্ডার কি?

বাইপোলার ডিসঅর্ডার (Bipolar Disorder) এক ধরনের গুরুতর আবেগজনিত মানসিক রোগ, যাকে দ্বিপ্রান্তিক মানসিক ব্যাধি বলা যেতে পারে। এ অসুখে একপ্রান্তে থাকে ‘ডিপ্রেশন’ বা বিষন্নতা এবং অন্য প্রান্তে থাকে ‘ম্যানিয়া’। ‘বাই(Bi)’ অর্থ দুই আর ‘পোলার(Polar)’ বা পোল হচ্ছে প্রান্ত। ডিপ্রেশনে মানের আবেগের উদ্দীপনা কম থাকে। মনে বিষন্নতা অনুভব হয়। কোন কাজ ভালো লাগে না। শরীরে ও মনে অবসাদ অনুভব হয়। আর অন্যদিকে ম্যানিয়াতে মনের আবেগের উদ্দীপনা অতিরিক্ত অনুভূত হয়। সবকিছু বেশী বেশী ভাল লাগে। মনে অতিরিক্ত উত্তেজনা কাজ করে। একজন ব্যক্তির একই সঙ্গে ‘ম্যানিয়া’ ও ‘ডিপ্রেশন’ এবং পালাক্রমে অর্থাৎ একসময় ‘ম্যানিয়া’ এবং অন্যসময় ‘ডিপ্রেশন’ হওয়াকে বাইপোলার ডিসঅর্ডার বলা হয়। সর্বপ্রকার রোগ বিষয়ক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শ্রেণীবিভাগ ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্লাসিফিকেশন অব ডিজিজ (আইসিডি)’অনুযায়ী বাইপোলার ডিজঅর্ডার একটি মানসিক রোগ।

বাইপোলার ডিসঅর্ডার এর উপসর্গ:

আক্রান্ত ব্যক্তি কখনো ‘ডিপ্রেশন’ এ থাকে আবার পরবর্তীতে তার ‘ম্যানিয়া’ও হতে পারে।

‘ডিপ্রেশন’ এর প্রথম লক্ষন হচ্ছে:

বাইপোলারের দ্বিতীয় প্রান্তের নাম ডিপ্রেশন তথা বিষন্নতা। বিষণ্ণতার লক্ষণ হিসেবে প্রকাশ পায় অনেক দিন ধরে মন খারাপ থাকা, কোনো কাজে আগ্রহ না পাওয়া, আনন্দের অনুভূতি কমে যাওয়া, ঘুম কমে যাওয়া বা বেশি ঘুমানো, ঘুম ভেঙে এমন মনে হওয়া যে ‘আরেকটি খারাপ দিন শুরু হলো’, আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া, কাজে মনোযোগের অভাব, অহেতুক কোনো কাজের জন্য অনুতপ্ত বোধ করা, ভালোবাসা বা যৌনতার অনুভূতি কমে যাওয়া বা হঠাৎ খুব বেড়ে যাওয়া, ভবিষ্যৎ অন্ধকার মনে হওয়া, খাবার ইচ্ছা কমে যাওয়া বা খুব বেশি খেতে ইচ্ছে করা, শারীরিক কোনো কারণ ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে মাথাব্যথা থাকা ইত্যাদি।

প্রায় ক্ষেত্রেই ম্যানিয়া’র চেয়ে ডিপ্রেশনের স্থায়িত্ব বেশি হয়ে থাকে। আক্রান্ত ব্যক্তি মা হলে অনেক সময় সন্তানকে সহ্য করতে পারেন না, কোনো কোনো ক্ষেত্রে সন্তানের বাবাকেও না। অবস্থা খুব চরমে গেলে আত্মহত্যার ইচ্ছে জাগে; প্রথম দিকে আত্মহত্যা কীভাবে করা হবে—এ বিষয়ে বিস্তর পরিকল্পনায় সময় কাটে। এর বেশি এগোয় না। কিন্তু কেউ কেউ এক পর্যায়ে পরিকল্পনা অনুযায়ী তা করে ফেলেন। ইন্টারনেটে সার্চ দিলে এরকম বহু বিখ্যাত ব্যক্তির নাম পাওয়া যায় যারা বাইপোলারে আক্রান্ত হয়ে শেষে আত্মহত্যা করেছেন। বিখ্যাত মার্কিন কবি Sylvia Plath এবং ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক Virginia Woolf—দু’জনেই ছিলেন বাইপোলার আক্রান্ত এবং নিজেদেরকে হত্যা করেছেন।

১। ব্যক্তি খুবই বিমর্ষ হয়ে যায়, তার কিছুই ভালো লাগে না। কোন কিছুতেই আনন্দ পায় না।

২। দৈনন্দিন যত কাজ কর্ম, লোকজনের সাথে কথা বলা তার কাছে কঠিন মনে হয় এবং বিরক্ত লাগে।

৩। কথাবার্তা এবং চিন্তাধারা ধীর হয়ে যায়।

৪। ঘুমের সমস্যা হয়।

৫। মাঝে মাঝে খুব অস্থির বোধ করে, ক্ষুধা কমে যায়, ওজন কমে যায়, জৈবিক আগ্রহ কমে যায়।

৬। বেঁচে থাকা অর্থহীন মনে হয় এবং কখনো কখনো আত্মহত্যা করার চিন্তা আসে।

আর ‘ম্যানিয়া’র সময় যে উপসর্গসমূহ দেখা যায় তা বিষন্নতার ঠিক উল্টো:

facts_and_treatment_bipolar এই অবস্থায় রোগী অস্বাভাবিক আনন্দ অনুভব করেন। তখন তার মধ্যে খুব আত্মবিশ্বাসী ভাব কাজ করে। দ্রুত এবং অতিরিক্ত কথা বলেন। নিজের আনন্দকে প্রকাশ করতে গিয়ে অতিরঞ্জন করেন, কখনও কখনও মিথ্যা বলেন। আক্রান্ত ব্যক্তি ফেইসবুক ব্যবহারকারী হলে, নিজে কতো আনন্দে আছেন সেটির খুব জোরালো প্রকাশে মনযোগি হয়ে থাকেন প্রায়শ, এমনকি মিথ্যা তথ্য দিয়ে হলেও। তিনি ঘুমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন না তেমন। নিজেকে অনেক শক্তিশালী মনে করেন, অস্থির থাকেন। হুট করে কোনো ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন, এবং ভুল সিদ্ধান্ত নেন। কারও কারও যৌন চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। কেউ কেউ অতি অবাস্তব পরিকল্পনায় বুঁদ হয়ে থাকেন, কিংবা অতিরিক্ত টাকা-পয়সা খরচ করে থাকেন, বিশেষ করে কেনাকাটায়। টাকা না থাকলেও প্রচণ্ড ইচ্ছে জাগে অনেক খরচ করার। সমাজের বিভিন্ন  নিয়ম-কানুন পরিবর্তনে নিজেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত মনে করেন তিনি। বিচারবোধ তার ঠিকমতো কাজ করে না। কাজের ফলাফল কী হবে তা না ভেবেই  বিভিন্ন কাজ শুরু করতে দেখা যায় তাকে। এই আচরণগুলোর একটু লঘু মাত্রাকে ‘হাইপো ম্যানিয়া’ বলে।

১। ব্যক্তির মনের উদ্দীপনা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়

২। আনন্দ-ফুর্তি অেতিরিক্ত মাত্রায় থাকে।

৩। কর্ম তৎপরতার মাত্রা বেড়ে যায়(কর্মক্ষেত্রে বা চাকুরী ক্ষেত্রে, সামাজিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে, যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে)।

অনর্গল বা অতিরিক্ত কথা বলা এবং দ্রুত গতিতে কথা বলা।

৪। আত্মমর্যাদার অনুভূতি বৃদ্ধি পাওয়া, একজন হঠাৎ করে মনে করতে শুরু করে যে তার অনন্য সাধারন প্রতিভা রয়েছে, সে অসাধারন ক্ষমতা বা শক্তির অধিকারী

৫। মনোযোগ কেন্দ্রিভূত করতে না পারা, মনোযোগ সহজে ব্যাহত হয়।

৬। ঘুমের পরিমান কম হবে। কিন্তু ঘুমের সমস্যার ব্যাপারে সে অভিযোগ করবে না কারন অতিরিক্ত উদ্দীপনা তাকে শারীরিকভাবে ক্লান্ত করবে না। ফলে ঘুমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করবে না।

বাইপোলার ডিসঅর্ডার সম্পর্কে কিছু ভ্রান্ত ধারনা

বাইপোলার সম্পর্কে ধারণা আছে এমন কারও কতোগুলো ঢালাও উপলব্ধি তৈরি হতে পারে যা ১০০% ভুল। যেমন-

ক) কেউ খুবই মুডি। তার মানে তার বাইপোলার হয়েছে

খ) বাইপোলারে আক্রান্ত লোকেরা খুব মারমুখী স্বভাবের হয় এবং সমাজে অনেক ঝামেলা তৈরি করে।

গ) বাইপোলারে আক্রান্ত ব্যক্তির পড়াশুনা, সৃষ্টিশীল কাজ করা সম্ভব নয়।

ঘ) ম্যানিয়া হলে তো ব্যাপক মজা। এ তো ভালোই।

ঙ) কিছু নির্দিষ্ট পেশা বা শ্রেণির লোকই বাইপোলারে আক্রান্ত হয়।

চ) এই রোগ কারও হলে তার পক্ষে নিজেকে স্থির রাখা কখনোই সম্ভব নয়।

ছ) বাইপোলারে আক্রান্ত কাউকে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব দেয়া উচিত নয়।

জ) বাইপোলারে আক্রান্তরা দাম্পত্য সুখ অর্জনে অক্ষম, কিংবা যৌনতায় অনাগ্রহী হয়।

ঝ) বাইপোলার আছে এমন কারও পক্ষে জীবনে সফল হওয়া অসম্ভব।

তেমনিভাবে, কেউ বাইপোলার ডিজঅর্ডার এ আক্রান্ত–এটি জানবার পর তাকে নিম্নোক্ত প্রশ্নগুলো কখনোই করা উচিত নয়ঃ

ক) তোমার কি বাইপোলার হয়েছে?

খ) একটু খুলে বলো তো, কেমনে কী?

গ) হ্যাঁ, আমারও মনে হয় এরকম একটু আছে।

ঘ) তুমি কি ভালো হয়ে গেছো?

ঙ) তুমি কি ওষুধ খাচ্ছো?

চ) তুমি কী ওষুধ খাচ্ছো?

বাইপোলার ডিসঅর্ডার এর কারনসমূহ:

নানা ধরনের কারনে এই বাইপোলার ডিসঅর্ডার রোগ হতে পারে। বিভিন্ন কারনের মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন কারন হলো জিনগত ত্রুটি বা বংশগত। অর্থাৎ পরিবার বা বংশে কোন সদস্যের এই রোগ হলে অন্য সদস্যের এ রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভবনা সাধারন জনগনের চেয়ে অনেকগুন বেড়ে যায়। আবার মস্তিস্কের মধ্যে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ বা নিউরোট্রান্সমিটারের ভারসাম্যহীনতার কারনেও এ রোগ হতে পারে। এছাড়া মনস্তাত্বিক বা পারিপাশ্বিক কারনে অতিরিক্ত মানসিক চাপের ফলে এ রোগ হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে নেশাদ্রব্য গ্রহনেও এ রোগের লক্ষনসমূহ প্রকাশ পায়।

বাইপোলার ডিসঅর্ডার এর চিকিৎসা পদ্বতি:

এ রোগের যথাযথ সময়ে চিকিৎসা রোগী সম্পূর্ন সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন। মেডিসিন এবং স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞরাই এ রোগের চিকিৎসা করতে পারেন, এজন্য মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কথা হচ্ছে, এমবিবিএস ডিগ্রিধারী যে কোন চিকিৎসক কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন না করলেও যদি তিনি কোন রোগ সঠিকভাবে নির্ণয় ও এর সঠিক চিকিৎসা করতে পারেন, সেক্ষেত্রে কারো কোন আপত্তি থাকার কথা নয়। তবে, বাইপোলার ডিজঅর্ডার যে একটি মানসিক রোগ – এই সত্যটিকে অস্বীকার করা কেবল কুসংস্কার এবং অপচিকিৎসাকেই উৎসাহিত করে।

অনেকে মনে করেন, এ ধরণের সমস্যায় ওষুধের কোন প্রয়োজন নেই, ঝাঁড়ফুঁকই এর চিকিৎসা। এক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত গবেষণালব্ধ প্রমাণ এবং এনআইসিই (ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ এন্ড কেয়ার এক্সিলেন্স), ইংল্যান্ড-এর গাইডলাইন অনুযায়ী ওষুধই এ রোগের প্রধান চিকিৎসা পদ্ধতি। রোগ তীব্র হলে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি রেখেও চিকিৎসা করাতে হতে পারে। তবে রোগের বিশেষ পর্যায়ে কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু ধরণের সাইকোথেরাপী প্রয়োজন হতে পারে।
কারো কারো ধারণা, বাইপোলার ডিজঅর্ডারে আক্রান্ত রোগীরা অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত ও মেধাবী হয়ে থাকেন। এ ধারণার সপক্ষে গবেষণালব্ধ কোন প্রমাণ নেই। যে কোন শ্রেণী-পেশা-বুদ্ধিমত্তার মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। বিখ্যাত কয়েক ব্যক্তি এ রোগে আক্রান্ত হওয়ায় এ ব্যাপারে ভুল ধারণা সৃষ্টি হতে পারে। রোগীদের রোগের কারণে বহির্মুখী, দানশীল, আত্মবিশ্বাসী ও অতিরিক্ত সক্রিয় ভূমিকাও এ ধারণা তৈরী করতে পারে। আবার, এ রোগে আক্রান্ত হওয়া মানেই রোগী স্বাভাবিক কাজের অনুপযুক্ত – এ ধারণাও ঠিক নয়। সঠিক চিকিৎসায় এ রোগ নিয়ন্ত্রণে রেখে রোগী তার বুদ্ধিমত্তা ও প্রতিভা অনুযায়ী সফলতা পেতে পারেন। তবে, রোগীর অবস্থা অনুযায়ী তার জন্য বাস্তবভিত্তিক ভবিষ্যত লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে।
তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগেও, নিমিষেই সকল তথ্য হাতে পাওয়ার অপার সুযোগের এই সময়েও মানসিক রোগ সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণার চলমান ধারা খুবই দুঃখজনক। সকলের মাঝে মানসিক রোগ সম্পর্কে সচেতনতা জাগ্রত হোক, সকল নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি, কুসংস্কার, জড়তা কাটিয়ে মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা সুচিকিৎসা লাভে সচেষ্ট হোন

ঔষধ চিকিৎসা, মনস্তাত্বিক চিকিৎসা, সামাজিক ও পারিবারিক চিকিৎসা – এই তিনভাবেই এই রোগের চিকিৎসা হয়। কারো মধ্যে বাইপোলার ডিসঅর্ডার দেখা দিলে শীঘ্রই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। ঔষধের পাশাপাশি পারিবারিক সহযোগিতা এবং সহানুভূতির মাধ্যমে বাইপোলার ডিসঅর্ডার আক্রান্ত ব্যক্তি পুরোপুরি সেরে উঠতে পারে।

আমেরিকান র্য্যাপার ভ্যানিলা আইস-এর একটা গান

আমেরিকান র্য্যাপার ভ্যানিলা আইস-এর একটা গান আছে বাইপোলার নিয়ে গানটি শুনে দেখতে পারেন। বেশ লাগে।

Staring at two different views on your window ledge

Coffee is going cold, it’s like time froze

There you go wishing floating down our wishing well

It’s like I’m always causing problems, causing hell

I didn’t mean to put you through this, I can tell

We’re gonna sweep this under the carpet

I hope that I can turn back the time

To make it all alright, all alright for us

I’ll promise to build a new world for us two

With you in the middle (with you in the middle)

Lying down beside you what’s going through your head?

The silence in the air felt like my soul froze

Am I just overthinking feelings I can’t say

This gut feeling I’m tryna get off me as well

I hope we find our missing pieces, I’m just sure

We’re gonna sweep it under the carpet

I hope that I can turn back the time

To make it all alright, all alright for us

I’ll promise to build a new world for us two

With you in the middle (with you in the middle)

(with you)

(you)

সম্পাদনা তথ্যসূত্র:

ক) রীপা পালিত উর্মি,সাইকোসোশাল কাউন্সেলর,UTSA এর প্রকাশনা ‘মানসিকা’।

খ) কাজী শাখাওয়াত এর ব্লগ

গ) উইকিপিডিয়া

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন