নেদারল্যান্ডসে পণ্য রপ্তানি করবে প্রাণ: অ্যাঞ্জেল ফরেন ফুড ও প্রান-আরএফএল চুক্তি স্বাক্ষর

188
pran_rfl_naderlands_deed

ইউরোপের দেশ নেদারল্যান্ডসে পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যে সেখানকার জনপ্রিয় চেইন শপ অ্যাঞ্জেল ফরেন ফুড গ্রুপের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় খাদ্যপণ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ইউরোপের দেশ নেদারল্যান্ডসে পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যে ইউরোপের জনপ্রিয় চেইন শপ অ্যাঞ্জেল ফরেন ফুড গ্রুপের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় খাদ্যপণ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান প্রাণ গ্রুপ। বুধবার রাজধানীর প্রাণ-আরএফএল সেন্টারে এ চুক্তি সম্পাদিত হয়। প্রাণের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াছ মৃধা ও অ্যাঞ্জেল ফরেন ফুড গ্রুপের প্রধান নির্বাহী উইম অ্যাঞ্জেল নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তির আওতায়, অ্যাঞ্জেল ফরেন ফুড গ্রুপ চলতি বছরে ২০ লাখ ইউএস ডলার সমমূল্যের বিভিন্ন পণ্য ক্রয় করবে। এসব পণ্যের মধ্যে থাকছে নুডল্স, জুস ও বিভিন্ন কনফেকশনারি পণ্য।

ইলিয়াছ মৃধা বলেন, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে প্রাণ পণ্যের চাহিদা ক্রমে বাড়ছে। এই চুক্তির ফলে এখন নেদারল্যান্ডসে প্রাণ পণ্য সহজলভ্য হবে। নেদারল্যান্ড ছাড়াও ফ্রান্স, ইটালি, গ্রিস, সাইপ্রাস, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে প্রাণ পণ্য নিয়মিত রপ্তানি হচ্ছে বলে জানান তিনি।

উইম অ্যাঞ্জেল জানান, প্রাণ বাংলাদেশের সুবিদিত খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান। বহির্বিশ্বে প্রাণের সুনাম রয়েছে। নেদারল্যান্ডসে প্রাণপণ্য আরও জনপ্রিয় হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রাণের অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার (রপ্তানি) গোলাম রসুল, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (রপ্তানি) মাহমুদুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ বাংলাদেশের একটি বৃহৎ খাদ্য সামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। রংপুরে ১৯৮১ সালে রংপুর ফাউন্ড্রি লিমিটেডের (আরএফএল) পথচলা শুরু। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন আমজাদ খান চৌধুরী । ক্ষুদ্র পরিসরে যাত্রা শুরু করেও আজকে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপে ২৫টিরও বেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠান। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে পাবলিক লিমিটেড দুটি কোম্পানি। এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং কোম্পানি লিমিটেড ও রংপুর ফাউন্ড্রি লিমিটেড(আরএফএল)। এ ছাড়া প্রাণ এগ্রো বিজনেস লিমিটেড, প্রাণ ডেইরি লিমিটেড, প্রাণ এক্সপোর্টার্স লিমিটেড, আরএফএল প্লাস্টিকস লিমিটেডসহ ২৫টির বেশি কোম্পানি রয়েছে। খাদ্য ও প্লাস্টিক-এ দুটি খাতে সর্বাধিক বহুমুখী পণ্য উৎপাদিত হয়। লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্লাস্টিক খাতে আছে এক হাজার ৫০০ পণ্য। খাদ্যসামগ্রীর উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির প্রোডাক্ট লাইনে রয়েছে ৫০০টিরও বেশি পণ্য। দেশজুড়ে বিস্তৃত ১০টি অত্যাধুনিক কারখানায় এসব পণ্য উৎপাদিত হয়।

উল্লেখ্য, বতর্মানে প্রাণের পণ্য বিশ্বের ১৩৪টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে প্রায় ১৮৪ মিলিয়ন ইউএস ডলার সমমূল্যের বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করেছে প্রাণ গ্রুপ।

ফোবানি/হামিদ

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন