চারছক্কায় ই-ক্যাব চট্টগ্রাম উদযাপন করলো জন্মদিন

98
e-cab

সংক্ষেপে ই-ক্যাব। পুরো অর্থ এ রকম, ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।চট্টগ্রামের চকবাজারস্থ চারছক্কা রেষ্টেুরেন্টে রীতিমতো কেক কেটে তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে ঢাকাস্থ এসোসিয়েশনের কেন্দ্রিয় কার্যালয়ে সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিতিতে জন্মদিনের কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। এ সময় এসোসিয়েশনের  মেম্বার এবং শুভ্যানুধ্যায়ীদের উপস্থিতিতে দিনটিকে জমজমাট ভাবে পালন করা হয়। বসে ছিলো না চট্টগ্রাম বিভাগের সদস্যরাও। চট্টগ্রামের চকবাজারস্থ চারছক্কা রেষ্টুরেন্টে এ সময় মিলিত হন এসোসিয়েশনের সদস্যরা। সবার আগে উপস্থিত হন ফেরদৌস, মুকিত, জাহিদ ও মোর্শেদ।একটু পরই উপস্থিত হন এমএইচআরবাজার.কমের হামিদ সহ ক’জন ফ্রিল্যান্সার। জন্মদিনের শুভেচ্ছা উপহার কেক তুলে দেন সবার হাতে। নিদ্দিষ্টস্থানে ব্যানার লাগিয়ে কেক কাটেন আইটিবাজার.নেটের স্বত্ত্বাধিকারী জাহেদ।টেলিকনফারেন্সে শুভেচ্ছা জানান ই-ক্যাব সভাপতি রাজীব আহমেদ।

ই-ক্যাব মুলত: যাত্রা শুরু করে ২০১৪ সালের ৮ নভেম্বর। জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তৎকালীন সময়ের কার্যনির্বাহী কমিটি, উপদেষ্টা কমিটি ও স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যবৃন্দের উপস্থিতিতে ই-ক্যাবের উপস্থিতিতির জানান দেয় হয়। সে সময় দেশের জাতীয় পর্যায়ের প্রিন্ট,ইলেকট্রনিক ও অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিকবৃন্দ সহ ই-কমার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকগন ও স্ব স্ব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন। তৎকালীন সময় শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সচিব এন আই খান উপস্থিত থেকে ই-ক্যাবের সাথে একাত্মতা ঘোষনা করেন। কিন্তু ই-কমার্স খাতের প্রসার ও উন্নয়নে সোস্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব অনুধাবন করে আজকের দিনে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ন সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুকের গ্রুপ পেজ ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ( ই-ক্যাব ) খোলা হয়। সে হিসেবে মুলত: গতকাল ছিলো ই-ক্যাবের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।

ই-ক্যাব সভাপতি রাজীব আহমেদ ই-ক্যাব সম্পর্কে বলেন, “আমরা ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ সংগঠনটি গড়ে তুলছি মুলত: একটি সুন্দর স্বপ্ন নিয়ে। যেখানে প্রতিটি গ্রামের মানুষ অনলাইনে তাদের পন্য/সেবা কেনা-বেচা করবে। আমাদের ট্যুরিজম সেক্টরে এ-কমার্স এর ছোঁয়া লাগুক। আমরা চাই দেশের ৬৪ জেলার বিখ্যাত পন্য অনলাইনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ুক সারা বিশ্বে। একদিন ই-কমার্স ব্যবসাই আমাদের অর্থনীতিতে বিপ্লব বয়ে আনবে।”

সময় বয়ে চলে কিন্তু সেলফি রয়ে যায়। সোস্যাল মিডিয়ার গুরুত্বপূর্ন ই-কমার্সের এই গ্রুপে খোঁজ-খবর যারা রাখেন তারা অন্তত: জানেন, ই-কমার্স ব্যবসা সত্যি সত্যি নবদিগন্তের সূচনা করেছে। নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরী করেছে, পন্যের প্রতিযোগিতায় ক্রেতা উপকৃত হচ্ছেন, এই খাতে কর্মসংস্থান বেড়েছে। পরিসংখ্যানটা রীতিমতো ঈর্ষনীয়। রাজীব আহমদের মতো এভাবে লেগে থাকলে সাফল্য আসবেই।

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন