একদিনের বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম শহর জুড়ে সুইমিং পুল। বর্ষা কিন্তু এখনো আসেনি

148
one_day_rain

বর্ষা এখনো আসেনি, একদিনের বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম শহর জুড়ে সুইমিং পুল- রসিক পথচারী। কে বলে বাঙ্গালীর মস্তিস্ক নেই! এত বড় দু:সাহস কার!মস্তিস্ক ছাড়া একদিনও কি চলে? মস্তিস্ক নিয়ে ভাবার সময় নাই। আপাতত: আলোচনাটি হোক সুইমিং পুল নিয়ে। একজন রসিক কবি তাবরিজ চৌধুরী লিখেছেনও বটে…

আমি আগের ঠিকানায় নেই, সুইমিংগ্রাম এ আছি

আমি আগের ঠিকানায় নেই, সুইমিংগ্রাম এ আছি
সময় করে এসো আজ
দু’জনে কিছুক্ষণ ভিজে পাশাপাশি।।

চেয়ে থাকব শুধু জলে জলে
থাকবে না কোন কথা কারো মুখে।

চোখের জলে ফেলব মুছে
ময়লা যত দেখেছি।।

সব শহরে বাঁধা যায় না তো সুখের ঘর
সব দালানে দালানে জানি হয় না শহর।

তবুও কিছু ঘর সারাটি জীবন
রয়ে যায় কাছাকাছি।

আমি আগের ঠিকানায় নেই, সুইমিংগ্রাম এ আছি
সময় করে এসো আজ
দু’জনে কিছুক্ষণ ভিজে পাশাপাশি।।

সুত্র: সিটিজিসংবাদ২৪.কম

আজ শুক্রবার, ২১ এপ্রিল ২০১৭। সকাল থেকেই মুষলধারে বৃষ্টি। কাল সন্ধ্যা রাত থেকেই জানান দিচ্ছিল বৃষ্টিটা আসবে। একদিনের বৃষ্টিতে দিনের সকল কর্মসূচীর অপমৃত্যু ঘটলো। বিয়ে-একটি সামাজিক অনুষ্ঠানের নিমন্ত্রন ছিলো।খাওয়া-দাওয়ার চাইতে সবার সাথে সাক্ষাতের একটা সুযোগ তৈরী হয় এই সামাজিক অনুষ্ঠানে। ইচ্ছে থাকার পরও বৃষ্টির ভয়ে যাওয়া হলো না।

রাতেই গিন্নি বলে রেখেছিলো, কাল সকালে খিচুড়ি রান্না হবে। একদিনের বৃষ্টিতে আজকের আলোচনাটিও প্রায় খিচুড়ি মেশানো হবে- এটা আমি নিশ্চিত বলে রাখছি। যারা এতদুর এসেছেন, অনুগ্রহ করে সুইমিং পুল পর্যন্ত যাবেন না।

ফটোক্লিক আর্ট ফেসবুক ভিত্তিক নবীন-প্রবীন ফটোগ্রাফারদের একটি গ্রুপ। এ্যাডমিন শাহাদাত রিপন। অনেকদিন থেকেই একসাথে চা-কফি খাব খাব করে বসা হচ্ছে না। বৃষ্টির একটা আলসেমী ভাব আছে। তাই শেষ মুহুর্তে যাওয়াটা ঠিক হয়ে উঠবে কিনা……..

না, চায়ের আমন্ত্রন নিছক লোক দেখানো ছিলো না! নিজেই ফোন দিলেন, কখন আসছেন? অগ্যতা যেতেই হলো। মনে মনে ভাবছিলাম ‘সুইমিং পুল’ যেতে দিবে কিনা? ঠিক সেজন্যই কিনা জানিনা সাহস করে এই একদিনের বৃষ্টিতে পুরাতন কেডস পরে বেরিয়ে পড়লাম।

ছবির মানুষ গুলোর কাছাকাছি যাব।একটা ভাবনা মাথায় এলো। এই বৃষ্টিতে কে কোথায় কতটা সুইমিং পুল উপভোগ করছেন ফটোশ্যুটে তুলে আনা প্রয়োজন। ফটো ক্লিক আর্ট হতে পারে উৎকৃষ্ট ঠিকানা। একটা অনুরোধ লিখে পোষ্ট করলাম। পোষ্টটা এডমিন মহোদয় এ্যাপ্রুভ করলেই হয়।

ইদানিং আবার কিছু কিছু জনপ্রিয় ফেসবুক গ্রুপ সম্পর্কে নেতীবাচক কিছু শোনা যায়। এই যেমন “চট্টগ্রামের ফুড বিষয়ক ফেসবুক ভিত্তিক গ্রুপ ‘ফুড মনষ্টারস’। হঠাৎই পাবলিক গ্রুপ থেকে রাতারাতি সিক্রেট গ্রুপে পরিনত হওয়ার কারনটাও গ্রুপের সদস্য হিসেবে জানতে পারলাম না। সার্চ করে ইদানিং খুজে পাইনা। কেন, কি হল, কেন হলো এমন-উত্তরটা কেউ যদি দিতে পারতেন। অন্য একটা আইডি দিয়ে ট্রাই করলাম। না, ফেসবুকে আছে। কিন্তু আমিই খুজে পাচ্ছিনা। তিনজন এডমিন, ফেসবুক প্রোফাইল এ দৃশ্যমান যে ছবি আছে, তা দিয়ে চেনার উপায় নেই! চেনা-জানা ক’জন বন্ধুদের কাছে এই বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করলাম। কেউ কোন সদুত্তর দিতে পারলনা। একজন জানাল, ‘ফুড মনষ্টারস গ্রুপের জনৈক এডমিনকে নিয়ে বিস্তর অভিযোগ চট্টগ্রামের কিছু কিছু হোটেল মালিকদের। এ বিষয়ে একটা অনুসন্ধানী প্রতিবেদন সহসাই করবো। আপাতত: এডমিনদের খুজছি, আশা করি পেয়ে যাব।

একদিনের বৃষ্টিতে সোস্যাল মিডিয়ায় চট্টগ্রামের সুইমিং পুল

one_day_rain_chittagongফেসবুক জুড়ে আলোচনা চলেছে অনেক। এখনও অব্যাহত আছে। অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়া, ব্যক্তিগত ব্লগের পাতায় উঠে এসেছে একদিনের বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর হাল-চাল। সোস্যাল মিডিয়া জুড়ে চলতে থাকা আলোচনার কিছু উদ্বৃত অংশ ভুনা খিচুড়িতে মসলা হিসেবে ব্যবহার করা যেতেই পারে।  মোগল রসুই ঘরের রেসিপি থেকে এমনই শিখানো হয়েছে। প্রথমেই আমার একজন প্রিয় মানুষ সাংবাদিক  নাছির উদ্দিন হায়দার এর মসল্লাটা এখানে মিশাতে চাই। তিনি লিখেছেন,

কারা ডোবাচ্ছে আওয়ামী লীগকে?

প্রিয় নগরপিতা, কাল লিখেছিলাম, নগরে আসলেই সুইমিং পুল দরকার, কারণ ভারী বৃষ্টিতে নগরে যে জলজট হয়, তাতে শহরের ৫০ লাখ মানুষেরই সাঁতার শেখা দরকার। নয়তো, শহরের সড়কে ডুবে মরা খুব সম্ভব। অতএব নগরের প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে সুইমিং পুল বানানো হোক, শহরবাসীকে দলে দলে সাঁতার শেখানো হোক ।কিন্তু আজ যে,গোটা শহরটাই প্রাকৃতিক সুইমিং পুল হয়ে গেল!

আমরা খাল-নদী হত্যা করি, হত্যা করি পুকুর-দিঘি-পার্ক। এক চিলতে মাঠ দেখলে তাও নিঃশেষ করার সাধ জাগে। পানি চলাচলের খাল-নালার ওপর ভবন গড়ার কেরামতিও দেখাই আমরা। ফলত, চট্টগ্রাম শহর আজ বঙ্গোপসাগরের রূপ ধরেছে! সিডিএ একটা ভালো কাজ করছে, সড়ক যে নদীর রূপ নেবে সেটা তারা আগে থেকে জানত, তাই সড়কের ওপর তারা ব্রিজ (ফ্লাইওভার) বানাচ্ছে। কারণ, সড়ক ডুবে গেলে আমাদের সমাজপতিদের গাড়ি চলবে কেমনে? তাইতো ফ্লাউওভার! আহ, বুদ্ধি বটে! আর গরিবদের জন্য তো আছে ঠেলা-আর ভ্যান! ওসব তো আর ফ্লাইওভারে চড়তে পারবে না। তাই পানিতে ডুবে ডুবে চলবে আমজনতা। এটাই তাদের নিয়তি! হায়রে বেকুব, আমরা কি পড়িনি,’ইশ্বর থাকে ওই গ্রামে, ভদ্রপল্লীতে!’ মুরাদপুরের ওই বঙ্গোপসাগরে যে সরকার মানে আওয়ামী লীগই ডুবছে, সেটা কি তারা জানে? কারা ডোবাচ্ছে আওয়ামী লীগকে?

কামরুজ্জামান রনি, এশিয়ান টিভি, চট্টগ্রামের স্টাফ রিপোর্টার কবিতা দিয়ে শুরু করেছেন। লিখেছেন গদ্যও..

“জলে ভাসা পদ্ম আমি, শুধুই পেলাম ছলনা,

“জলে ভাসা পদ্ম আমি,
শুধুই পেলাম ছলনা,
ও আমার সহেলি,
আমার নাইকো কোথাও কোন ঠাই,
বুকের জ্বালা কোথায় যে জুড়াই…”

ও ভাই খারান খারান, কমেন্টস করার আগে একটু শুনেন। আমি জানি আপনি লিখবেন,-
“চট্টগ্রামের কি আগে জলাবদ্ধতা ছিলো না ? উন্নয়ন কাজ করলে সময় তো লাগবে। এভাবে এখন ট্রল করছেন কেন, আগে কোথাই ছিলেন ?”

কি, ঠিক আছে তো, এগুলাই তো কমেন্টসে লিখবেন ? তাহলে আমার রিপ্লে কি হবে সেটাও আগাম লিখে রাখি যাতে হুদাই নিজেরা নিজেরা প্যাচাল করতে না হয় – “নগরীতে জলাবদ্ধতা আগেও ছিলো, এখনো আছে। কিন্তু আগামীতে যে থাকবে না সেটার গ্যারান্টি সিটি কর্পোরেশন অতীতেও দিতে পারেনি আগামীতেও দিতে পারবে না-না-না।”

কারণ সিটি কর্পোরেশনের সেই বাজেট আর কিছু প্রকল্প বাস্তবায়নের এখতিয়ারই নেই। তাহলে আমরা সবাই কি চুপ করে এই জলে ভাসা হবো ? না, হোক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদ, উঠুক আরো প্রতিবাদি গণ জোয়ার। সরকারের টনক নড়ুক। নতুন খাল কাটার টাকা দ্রুত বরাদ্ধ হোক, কর্ণফুলীর জোয়ারের পানি নিম্নাঞ্চলে প্রবেশ করতে না পারার জন্য বাঁধ নির্মান প্রকল্প আলোর মুখ দেখুক, চাক্তাই, রাজাখালি ও মহেশখালের মুখে পাম্প সুবিধা সহ অত্যাধুনিক সুইজ গেইট নির্মান হোক (যাতে জোয়ারের পানি ভেতরে না ঢুকে তবে খালের পানি পাম্প করে নদীতে ফেলা যায়, রাজধানী ঢাকায় এমন অনেক সুইজ গেইট ও পাম্প হাউজ আছে)। এসব আমার দাবী নয়, নগরির জলাবদ্ধতা দূর ও জলনিষ্কাসনের জন্য অনেক আগেই মাষ্টার প্ল্যান নেয়া হয়েছিলো। দুঃখের কথা সেই মাষ্টার প্ল্যানের মেয়াদ ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গেছে কিন্তু প্ল্যান বাস্তবায়িত হয়নি। সত্যি বলতে আমাদের নগর পিতাগন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অনেক আউল ফাউল প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে হেটেছেন কিন্তু জলাবদ্ধতা দূর করতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নামেন নি।

আমি জোরালো ভাবেই বিশ্বাস করি, আজ থেকেই যদি সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী ও বর্তমান মেয়র নাছির উদ্দিন নগরীর জলাবদ্ধতা দূর করতে ঐক্যবদ্ধ ভাবে আওয়াজ তুলি তাহলে আগামী একমাসের মধ্যে জলাবদ্ধতা দূর করণের প্রকল্প অনুমোদন হতে বাধ্য। আসুন না একে অন্যের পিছু না লেগে চট্টগ্রামের উন্নয়নের স্বার্থে সরকারের পিছু লাগি। তারপর দেখা যাবে, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা দূর করতে বরাদ্ধ না দিয়া যাবে কোথায়?

বীর চট্টলায় ডুবন্ত মানুষ আমরা !

–শাহাদাৎ আশরাফ

বীর চট্টলায় ডুবন্ত মানুষ আমরা !
পাহাড় ঘেরা চট্টলায় গৃহবন্ধী আমরা !

ছায়াঘেরা, স্বপ্ন ঘেরা কত সুন্দর শহর
হঠাৎ করে হয়ে গেল বিশাল একটা সাগর !

নালা বন্ধ, ড্রেন বন্ধ, কোথায় যাবে পানি ?
কেউ স্বীকার করবেনা জানি ব্যার্থতার গ্লানি !                        one_day_rain_ctg

গ্রুপিং এর রাজনীতিতে ফাঁসলো জনগন
আর কতকাল ভাসবো আমরা ?

অপেক্ষা আর কতক্ষন ?

কি করিবো কোথায় যাবো ?
উদ্ধার দায়িত্ব কাদের ?
“আমির হামজা “আসুক তবে
উদ্ধার করতে মোদের ।

অনেক হলো বিবাদ মোদের
জলে স্থলে কষ্ট মোদের
ট্রাফিক জ্যামের শহর মোদের
ভাংগা রাস্তায় জীবন মোদের
জলাবব্ধতায় জীবন মোদের
এবার সমাধান চাই
শুনার যারা শুনবেন কি তারা
না কি শুধুই অরন্য রোদন গাই?

৭০ লক্ষ নগরবা‌সির দুঃখ লাগ‌বের সরল অংক বুঝলনা নগর‌ পিতারা

আলীউর রহমান, সাংবাদিক,লেখক

চট্টগ্রাম শহ‌রের জলাবদ্ধতা দূ‌রিকর‌নে বি‌শেষজ্ঞ‌দের দেয়া সরল অংক কখনও বুঝলনা নগর ‌পিতারা। প্রাকৃ‌তিকভাবে চট্টগ্রাম শহর পৃ‌থিবীর অন্যান্য শহর থে‌কে আলাদা। এই শহরে পাহাড় টিলা থাকায় প্রাকৃ‌তিক ভা‌বে সৃ‌ষ্টি হয় ৭০টির বে‌শি ছোট বড় খাল। চট্টগ্রাম মহানগ‌রী হওয়ার পর কোন খাল‌তো খনন করে‌নি সি‌টি ক‌র্পো‌রেশন বা সি‌ডিএ। তার উপর প্রকৃ‌তির দান এই খালগুলো দখল ক‌রে‌ ভবন তুলে‌ছে নগর পিতারা।

আজকে সকা‌লের সামান্য একদিনের বৃ‌ষ্টি‌তে নগরীর দুই নম্বর গেইট থে‌কে বহদ্দার হাট পর্যন্ত এলাকার রাস্তা কোমর সমান পা‌নিত‌ে ত‌লি‌য়ে যায়। এর মূল কারন হ‌চ্ছে না‌সির খাল দখল ক‌রে উপ‌রে পাটাতন নির্মান ও ভবন তৈরী। নগরীর বৃহত্তর না‌সিরাবাদ বা‌য়ে‌জিদ এলাকার পা‌নি না‌সির খাল হ‌য়ে চাক্তাই খা‌লে মি‌শে‌ছে। শ‌পিং কম‌প্লেক্স এর সাম‌নে না‌সির খা‌লের গ‌তি প‌রিবর্তন হওয়ায় উজান থে‌কে ব‌য়ে আসা পা‌নি শপিং কম‌প্লে‌ক্সের সাম‌নে বাধা প্রাপ্ত হ‌য়ে দুই নম্বর গেইট থে‌কে বহদ্দার হাট পু‌লিশ বক্স পর্যন্ত এলাকা প্লা‌বিত ক‌রে।

শহ‌রের অন্য প্রান্তে মহেশ খাল দখল ভরাট ও এর শাখা খাল সমুহ দখল করায় সামান্য বৃ‌ষ্টি ও জোয়া‌রের পা‌নি‌তে বৃহত্তর আগ্রাবাদ এলাকা পা‌নি‌তে ত‌লি‌য়ে যায়।

‌অামরা নগর ‌পিতা‌দের দীর্ঘ‌দিন ধ‌রে সামান্য সরল অংক বুঝাবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হ‌য়ে‌ছি। স‌রল অংকটা ছিল শ‌পিং কম‌প্লে‌ক্সের সাম‌নে থে‌কে বহদ্দার হাট পু‌লিশ বিট পর্যন্ত না‌সির খালের দখল ও ভরাট অংশ উদ্ধার ক‌রে খনন ক‌রে গ‌তিপথ ঠিক ক‌রে দেয়া। যা করা হ‌লে দুই নম্বর গেইট থে‌কে মুরাদপুর জলাবদ্ধতা মুক্ত হ‌বে। দ্বিতীয় সরল অংক হ‌চ্ছে বহদ্দারহা‌টের উজা‌নে বির্জা খালের দখল ও ভরাট অংশ উদ্ধার ও খনন করা। যা কর‌লে বহদ্দার হাট খ‌তি‌বের হ‌াট চান্দগাও আবাসিক এলাকা জলাবদ্ধতা মুক্ত হ‌বে।

উন্নয়‌নের না‌মে চাক্তাই খা‌লের তলা পাকা ক‌রে খাল‌টিকে চিরত‌রে বন্ধ্যা করা হ‌য়ে‌ছে। এই খা‌লের গভীরতা বাড়া‌নো অসম্ভব। তাই চাক্তাই খা‌লের বিকল্প ২৮৯ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ব্যয়ে বহদ্দারহাট বারইপাড়া হতে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত খাল খননে প্রকল্প হাতে নেয়া হয়ে‌ছিল। ২০১৪ সালে তা এক‌নে‌কেও অনু‌মোদন পায়। নতুন খাল‌টি হ‌লে বহদ্দার হাট থে‌কে শরাফত উল্লাহ পে‌ট্টোল পাম্প পর্যন্ত অারাকান মহাসড়ক, চান্দগাঁও আবাসিক, খতি‌বের হাট ও বৃহত্তর বাক‌লিয়ার জলাবদ্ধতা লাগব হ‌বে।

“আসুন আমরা নগর‌ পিতা‌কে ৭০ লক্ষ নগরবা‌সির দুঃখ লাগ‌বের সরল অংক বুঝাবার চেষ্টা ক‌রি।”

প্রথমেই বলেছিলাম। একদিনের বৃষ্টিতে আলোচনাটি ভুনা খিচুড়ি মার্কা হবে। চট্টগ্রাম শহর জুড়ে একদিনের বৃষ্টিতে যখন শতাধিক সুইমিং পুল, তখন লজ্জা পাবার কিছুই নেই। ঝটপট নেমে পড়ুন সাতার কাটতে। একদিনের বৃষ্টিতে প্রয়োজনে প্যান্ট খুলে রাস্তা পার হবো, তবুও কথা বলবো না। সমস্যাটা যখন নিজেদের, তখন কথাতো আপনাকে বলতেই হবে। এখন শুধু দেখার পালা বহুরুপি নেতাগন চট্টগ্রামের এই জলাবন্ধতা নিরসনে কার্যকরী ভুমিকা নেন কিনা। অপেক্ষায় থাকতে তো হবেই!!!! আশা করি এবার অপেক্ষার পালা শেষ হবেই।।

ইন্টারনেট, ফেসবুক অবলম্বনে

ফোবানি/ হামিদ

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন